০৬:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
চাটখিলে তারাবির সময়ে ডাকাতি- থানায় মামলা চাটখিলে তদন্ত কমিটির সামনে শুনানী চলাকালীন মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্য চাটখিলে বুলেটসহ দু’যুবক গ্রেফতার চাটখিলে জামায়া‌তের বিরু‌দ্ধে বিএ‌ন‌পির মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন চাটখিলে যুবদল কর্মী নাইমকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন চাটখিলে যুবদল কর্মী ২ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার চাটখিল সরকারী হাসপাতালের বাউন্ডারীর ভিতরের গাছ কর্তনের অভিযোগ- তদন্ত কমিটি গঠন শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে চাটখিলে ছাত্র শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল চাটখিলে নির্বাচনী প্রশিক্ষন উপলক্ষে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত নোয়াখালী-১ আসনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম দাখিল

চাটখিলে বাল্য বিয়ে বন্ধ, ৩’শ মেহমানের খাবার গেল এতিম খানায়

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০
  • / ৪৪০৫ বার পড়া হয়েছে

মো: রুবেল : বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পরকোট দশঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিককতা শেষ পর্যায়ে। রাতে কনের বাড়ীতে নির্মান করা আলিশান গেইটে তারা বাতি জলছিল। ভোর থেকে রান্না বান্না শুরু হয়ে গেছে।

এ দিকে বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে রাত ৮ টার দিকে ইউএনও দিদারুল আলম স্থানীয় চেয়ারম্যান বাহার আলম মুন্সী ও মেম্বারকে বাল্য বিয়ে বন্ধ করার জন্য কনের বাড়ীতে পাঠান। কিন্তু এর পরও কনের বাবা প্রশাসনের নির্র্দেশ উপেক্ষা করে বিয়ের সকল আয়োজন সম্পর্ন করেন।

খবর পেয়ে ইউএনও দিদারুল আলম বৃহস্পতিবার সকালে কনের বাবা, ছেলের বাবা, ইউপি চেয়ারম্যান, প্রধান শিক্ষক ও ওয়ার্ড মেম্বারকে নিজ কার্য্যালয়ে ডেকে আনেন। এ সময় মেয়ের বাবা তার ভুল স্বীকার করে মেয়েকে ১৮ বছর পূর্ন না হলে বিয়ে দিবে না বলে অঙ্গীকার করে।

এর পর উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলী ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তার ও স্থানীয় মেম্বার বিয়ের বাড়ীতে গিয়ে ৩’শ মেহমানের জন্য রান্না করা খাবার কয়েকটি এতিম খানায় বিতরন করে দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চাটখিলে বাল্য বিয়ে বন্ধ, ৩’শ মেহমানের খাবার গেল এতিম খানায়

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০

মো: রুবেল : বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পরকোট দশঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিককতা শেষ পর্যায়ে। রাতে কনের বাড়ীতে নির্মান করা আলিশান গেইটে তারা বাতি জলছিল। ভোর থেকে রান্না বান্না শুরু হয়ে গেছে।

এ দিকে বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে রাত ৮ টার দিকে ইউএনও দিদারুল আলম স্থানীয় চেয়ারম্যান বাহার আলম মুন্সী ও মেম্বারকে বাল্য বিয়ে বন্ধ করার জন্য কনের বাড়ীতে পাঠান। কিন্তু এর পরও কনের বাবা প্রশাসনের নির্র্দেশ উপেক্ষা করে বিয়ের সকল আয়োজন সম্পর্ন করেন।

খবর পেয়ে ইউএনও দিদারুল আলম বৃহস্পতিবার সকালে কনের বাবা, ছেলের বাবা, ইউপি চেয়ারম্যান, প্রধান শিক্ষক ও ওয়ার্ড মেম্বারকে নিজ কার্য্যালয়ে ডেকে আনেন। এ সময় মেয়ের বাবা তার ভুল স্বীকার করে মেয়েকে ১৮ বছর পূর্ন না হলে বিয়ে দিবে না বলে অঙ্গীকার করে।

এর পর উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলী ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তার ও স্থানীয় মেম্বার বিয়ের বাড়ীতে গিয়ে ৩’শ মেহমানের জন্য রান্না করা খাবার কয়েকটি এতিম খানায় বিতরন করে দেন।