১২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

পৃথিবীর পানি পরিমাপে নাসার স্যাটেলাইট

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮
  • 857

মোঃ রুবেল : পৃথিবীতে পানির পরিমাণ হিসাব করতে কক্ষপথে নতুন দুটি স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে নাসা। মঙ্গলবার মধ্যরাতে স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় ‘গ্রেইস-ফো’ নামের স্যাটেলাইট দুটি। খবর ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিররের।

নাসার পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, স্যাটেলাইট দুটি এখন ৩০৫ মাইল উচ্চতায় রয়েছে এবং ঘণ্টায় ১৬৮০০ মাইলবেগে আবর্তন করছে। এই বেগে প্রতি ৯০ মিনিটে একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে স্যাটেলাইটগুলো। স্যাটেলাইট দুটির উৎক্ষেপণে অংশ নেয়া টমাস জারবুচেন বলেন, ‘আমাদের জটিল গ্রহটি কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে অনন্য তথ্য দেবে গ্রেইস-ফো। এই মিশনের মাধ্যমে পৃথিবীর পানিচক্রের অনেকগুলো মূল দিক পর্যালোচনা করা হবে। মানুষের জীবনযাপন উন্নত করতে বিশ্বজুড়ে গ্রেইস-ফো ডেটা ব্যবহার করা হবে। খরার প্রভাব ধারণা করা থেকে শুরু করে ভূগর্ভের জলস্তর কিভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে তা জানতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে এটি।’

পাঁচ বছর ধরে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে গ্রেইস-ফো। ভরের পরিবর্তনের কারণে কিভাবে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় টান পরিবর্তন হয় তা পরিমাপ করার মাধ্যমে আমাদের গ্রহে ভরের স্থানান্তর পর্যালোচনা করবে এটি। এই স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দিয়ে জলবায়ু ব্যবস্থায় পরিবর্তন পরিমাপ করার আশা করছে নাসা।

 

Tag :

পৃথিবীর পানি পরিমাপে নাসার স্যাটেলাইট

আপডেট: ১০:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮

মোঃ রুবেল : পৃথিবীতে পানির পরিমাণ হিসাব করতে কক্ষপথে নতুন দুটি স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে নাসা। মঙ্গলবার মধ্যরাতে স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় ‘গ্রেইস-ফো’ নামের স্যাটেলাইট দুটি। খবর ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিররের।

নাসার পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, স্যাটেলাইট দুটি এখন ৩০৫ মাইল উচ্চতায় রয়েছে এবং ঘণ্টায় ১৬৮০০ মাইলবেগে আবর্তন করছে। এই বেগে প্রতি ৯০ মিনিটে একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে স্যাটেলাইটগুলো। স্যাটেলাইট দুটির উৎক্ষেপণে অংশ নেয়া টমাস জারবুচেন বলেন, ‘আমাদের জটিল গ্রহটি কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে অনন্য তথ্য দেবে গ্রেইস-ফো। এই মিশনের মাধ্যমে পৃথিবীর পানিচক্রের অনেকগুলো মূল দিক পর্যালোচনা করা হবে। মানুষের জীবনযাপন উন্নত করতে বিশ্বজুড়ে গ্রেইস-ফো ডেটা ব্যবহার করা হবে। খরার প্রভাব ধারণা করা থেকে শুরু করে ভূগর্ভের জলস্তর কিভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে তা জানতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে এটি।’

পাঁচ বছর ধরে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে গ্রেইস-ফো। ভরের পরিবর্তনের কারণে কিভাবে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় টান পরিবর্তন হয় তা পরিমাপ করার মাধ্যমে আমাদের গ্রহে ভরের স্থানান্তর পর্যালোচনা করবে এটি। এই স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দিয়ে জলবায়ু ব্যবস্থায় পরিবর্তন পরিমাপ করার আশা করছে নাসা।