০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

আগুনে পুড়ে আর কত ক্ষতি হলে চাটখিলের ফায়ার ষ্টেশান চালু হবে?

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮
  • 1427

মো: রুবেল: চাটখিল উপজেলায় নির্মিত ফায়ার ষ্টেশান নির্মান কাজ সম্পন্ন হলেও চালু হচ্ছে না। এলাকাবাসীর প্রশ্ন আগুনে পুড়ে আর কত ক্ষতি হলে চাটখিলের ফায়ার ষ্টেশান চালু হবে? গত ৪ জুলাই বুধবার রাত পৌনে একটার দিকে চাটখিল পৌর বাজারের মধ্য গলিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ রূপে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এ ছাড়া ৪টি দোকান আংশিক ভাবে পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া গত ২ বছরে বদলকোট বাজার, শাহপুর বাজারসহ অনেক স্থানে আগুনে পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, ২০১৩ সনে কার্য্যাদেশ প্রাপ্ত হয়ে ঠিকাদার হোসেন আহমেদ চাটখিলের ফায়ার ষ্টেশানের কাজ শুরু করেন। উপজেলার পরকোট ইউনিয়নের ঢাকা-রামগঞ্জ মহাসড়কের পাশে ৩৩ শতাংশ সরকারী ভূমির উপর ফায়ার ষ্টেশান নির্মান করা হয়। ঠিকাদার আহমেদ হোসেন জানান, দুই বছর পূর্বে ফায়ার সার্ভিস এর কাজ সম্পাপ্ত করা হয়েছে। কিন্তু অদ্যাবদি কর্তৃপক্ষ কাজটি বুঝে নেয়নি। এলাকা বাসী জানান, ফায়ার সার্ভিসটি চালু না করায় বর্তমানে মাদক সেবিরা সন্ধ্যার পর পরই মাদকের আসর নিয়ে বসে পড়ে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বাহার আলম মুন্সী জানান, মাদক সেবিরা খুবই বেপরোয়া। তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে তারা মানুষকে ভয় ভীতি দেখায়। তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিসটি চালু করার ব্যাপারে তিনি স্থানীয় এমপিসহ সকলের নিকট বার বার র্ধনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটখিল উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রায়হানুল হারুন জানান, লোকবলের অভাবে চাটখিল ফায়ার ষ্টেশন বুঝে নেয়া যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান এ ব্যাপারে তিনি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।

 

Tag :
সর্বাধিক পঠিত
Best Website Design Company In Bangladesh

ঢাকার সিনিয়র সাংবাদিক এসকে সৌরভ চাটখিলের নিজ গ্রামে হামলার শিকার

আগুনে পুড়ে আর কত ক্ষতি হলে চাটখিলের ফায়ার ষ্টেশান চালু হবে?

আপডেট: ০১:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮

মো: রুবেল: চাটখিল উপজেলায় নির্মিত ফায়ার ষ্টেশান নির্মান কাজ সম্পন্ন হলেও চালু হচ্ছে না। এলাকাবাসীর প্রশ্ন আগুনে পুড়ে আর কত ক্ষতি হলে চাটখিলের ফায়ার ষ্টেশান চালু হবে? গত ৪ জুলাই বুধবার রাত পৌনে একটার দিকে চাটখিল পৌর বাজারের মধ্য গলিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ রূপে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এ ছাড়া ৪টি দোকান আংশিক ভাবে পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া গত ২ বছরে বদলকোট বাজার, শাহপুর বাজারসহ অনেক স্থানে আগুনে পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, ২০১৩ সনে কার্য্যাদেশ প্রাপ্ত হয়ে ঠিকাদার হোসেন আহমেদ চাটখিলের ফায়ার ষ্টেশানের কাজ শুরু করেন। উপজেলার পরকোট ইউনিয়নের ঢাকা-রামগঞ্জ মহাসড়কের পাশে ৩৩ শতাংশ সরকারী ভূমির উপর ফায়ার ষ্টেশান নির্মান করা হয়। ঠিকাদার আহমেদ হোসেন জানান, দুই বছর পূর্বে ফায়ার সার্ভিস এর কাজ সম্পাপ্ত করা হয়েছে। কিন্তু অদ্যাবদি কর্তৃপক্ষ কাজটি বুঝে নেয়নি। এলাকা বাসী জানান, ফায়ার সার্ভিসটি চালু না করায় বর্তমানে মাদক সেবিরা সন্ধ্যার পর পরই মাদকের আসর নিয়ে বসে পড়ে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বাহার আলম মুন্সী জানান, মাদক সেবিরা খুবই বেপরোয়া। তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে তারা মানুষকে ভয় ভীতি দেখায়। তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিসটি চালু করার ব্যাপারে তিনি স্থানীয় এমপিসহ সকলের নিকট বার বার র্ধনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটখিল উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রায়হানুল হারুন জানান, লোকবলের অভাবে চাটখিল ফায়ার ষ্টেশন বুঝে নেয়া যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান এ ব্যাপারে তিনি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।