১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চাটখিলে প্রসবের পর হাসপাতালেই এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন পূর্ণিমা

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
  • 171

মোঃ রুবেল; চাটখিল মহিলা কলেজের ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষার্থী পূর্ণিমা সোমবার রাত ১২টার দিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। মঙ্গলবার তার এইচএসসি পরীক্ষার শেষ দিন হওয়ায় সে প্রশাসনের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম মোসা তাৎক্ষণিক ভাবে জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করে পূর্ণিমাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালের একটি কক্ষকে পরীক্ষার হল ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে পুর্ণিমার ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষার দেওয়ার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ওই কক্ষে ১ জন মহিলা পুলিশ, ১ জন নারী শিক্ষক হল পর্যবেক্ষক, ইউএনওর প্রতিনিধি ১ জন নারী কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কমিটির ১ সদস্য পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্ব পালন করেন।

ইউএনও এএসএম মোসা জানান, ওই ছাত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মানবিক বিষয় বিবেচনা করে ওই ছাত্রীর পরীক্ষা নেওয়ার সব ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করেন।

তিনি আরও জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে পরীক্ষা চলাকালে হাসপাতালে দেখতে যান। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে পূর্ণিমা প্রশাসনসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত
Best Website Design Company In Bangladesh

চাটখিলে প্রসবের পর হাসপাতালেই এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন পূর্ণিমা

আপডেট: ০৫:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

মোঃ রুবেল; চাটখিল মহিলা কলেজের ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষার্থী পূর্ণিমা সোমবার রাত ১২টার দিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। মঙ্গলবার তার এইচএসসি পরীক্ষার শেষ দিন হওয়ায় সে প্রশাসনের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম মোসা তাৎক্ষণিক ভাবে জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করে পূর্ণিমাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালের একটি কক্ষকে পরীক্ষার হল ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে পুর্ণিমার ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষার দেওয়ার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ওই কক্ষে ১ জন মহিলা পুলিশ, ১ জন নারী শিক্ষক হল পর্যবেক্ষক, ইউএনওর প্রতিনিধি ১ জন নারী কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কমিটির ১ সদস্য পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্ব পালন করেন।

ইউএনও এএসএম মোসা জানান, ওই ছাত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মানবিক বিষয় বিবেচনা করে ওই ছাত্রীর পরীক্ষা নেওয়ার সব ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করেন।

তিনি আরও জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে পরীক্ষা চলাকালে হাসপাতালে দেখতে যান। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে পূর্ণিমা প্রশাসনসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।